২০০১ সালে আগোরা  প্রতিষ্ঠার শুরু থেকে বাংলাদেশের সুপারমার্কেট শিল্প পথ চলেছে অবিচলিত এবং নির্ভার হয়ে। আজ এক যুগ পর ১০৭ টি দোকান নিয়ে দেশজ এই শিল্পের মুল্য দাঁড়িয়েছে প্রায় ১,৫০০ কোটি টাকা। বাংলাদেশ যেহেতু মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হচ্ছে, এর পর্যায়ক্রমিক ফলাফল হিসেবে বাড়তি মাথাপিছু আয় এবং নগরায়ন এই শিল্পের মুনাফার সম্ভাবনাকে আরও ত্বরান্বিত করবে।

একটি চুলচেরা বিশ্লেষণ

বিজনেস সুপারমার্কেট ওনার্স এসোসিয়েশন (বিএসওএ) এর মতে, বর্তমানে দেশে ১২১ সুপারমার্কেট আছে. তবে, এই শিল্প মূলত তিনটি প্রধান প্রতিষ্ঠান দ্বারা প্রভাবিত হয়- স্বপ্ন (৫৯ টি আউটলেট), আগোরা (১৩ টি আউটলেট) এবং মীনা বাজার (১৮ টি আউটলেট)। একসময়ের অন্যতম শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী নন্দনের এখন মাত্র ২ টি আউটলেট আছে।
সরবরাহ ব্যবস্থা এবং প্রতিযোগিতামূলক দামের দিক থেকে স্বপ্ন নিজেকে বাজারের সেরা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছে, অন্যদিকে গুণগত মান ও সেবার অঙ্গিকার জন্য বাজারের সেরা হিসেবে আগোরা ও মীনা বাজারকে বিবেচনা করা হয়।

Market Shareআশা করা যায় দ্রুত নগরায়নের সাথে সাথে এই শিল্পের আকার ২০২১ সালের মধ্যে প্রায় ১৫ গুণ বৃদ্ধি পাবে। এসএমই এর মাধ্যমে কর্মসংস্থান তৈরি, বর্ধিত খাদ্য নিরাপত্তা, দ্রব্যমুল্যের স্থিতিশীলতা, এবং সর্বব্যাপী ব্যবসার উন্নয়নের মত ইতিবাচক অর্থনৈতিক প্রভাবকগুলো এই প্রবৃদ্ধির সাথে সাথে অর্জিত হবে বলে আশা করা যায়।
Number of Supermarkets in BD

শিল্পের চালিকাশক্তিঃ

এই শিল্পের আয়-ব্যয়ের মূল চালিকা শক্তিগুলো নিম্নে তুলে ধরা হলঃ
????????????????

  • সামাজিক কাঠামোর পরিবর্তন: ছোট পরিবারের ব্যাপক বৃদ্ধি এবং শ্রমবাজারে নারীর ক্রমাগত প্রবেশের কারণে মানুষের হাতে এখন কেনাকাটার জন্য সময় কমে গেছে। সুতরাং, এক ছাদের নিচে পণ্যের বিশাল, বৈচিত্র্যময় সমাহার থাকাটা ক্রমবর্ধমানহারে জরুরী হয়ে পড়ছে।
  • মাথাপিছু আয়ে পরিবর্তন: ২০১৩ সালে মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়ে ১,০০০ মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যায় এবং বিশেষ করে শহরাঞ্চলে তা আরও বাড়বে বলে আশা করা হয়।  আর্থ-সামাজিক কাঠামোর এই পরিবর্তনের জন্য তৈরি হয়েছে একটি মধ্যবিত্ত শ্রেণীর যারা সুবিধা এবং সামাজিক অবস্থা বিবেচনা করে কাঁচা বাজারের চেয়ে সুপারমার্কেটে তাদের বাড়তি আয় খরচ করতে পছন্দ করে।
  • ভোক্তা সচেতনতা: ভোগ্যপণ্যে ফরমালিন ও রাসায়নিকের ব্যবহার নিয়ে গণমাধ্যমে ব্যাপক প্রচারনার ফলশ্রুতিতে ভোক্তারা স্বাস্থ্যের উপর এসব পণ্যের প্রতিক্রিয়ার ব্যাপারে আরও সচেতন হয়েছেন।  তাছাড়া যেহেতু সুপারমার্কেটগুলো নির্ভেজাল কৃষিজাত পণ্যের প্রতিশ্রুতি দেয়, অনেক সচেতন ক্রেতা ধীরে ধীরে সনাতন কাঁচা বাজার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন।

শিল্প খাতের পর্যালোচনা

পোর্টার্স ফাইভ ফোর্সেস মডেল
Porter's 5 Forcesমডেল থেকে এটা অকাট্য যে প্রধান ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দারুন প্রতিযোগিতা বিদ্যমান যা কিনা তাদের নিজ নিজ মূল কোম্পানিরই সমৃদ্ধ মূলধনের প্রতিফলন। এধরনের বাহুল্য বাজারে নতুন ব্যবসায়িক প্রতিদ্বন্দ্বী প্রবেশে বাধা হিসেবে কাজ করে। সম্প্রতি, বিভিন্ন ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের বিনা খরচে হোম ডেলিভারি সুবিধা দেয়া শুরু করেছে। এদের গ্রহণযোগ্যতা যেহেতু বাড়ছে, পরবর্তী সময়ে তারা শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠতে পারে।

সুপারমার্কেট শিল্পের SWOT বিশ্লেষণঃ

নিম্নে দেশীয় সুপারমার্কেট শিল্পটির আভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক দিকগুলোর একটি পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ তুলে ধরা হলঃ .

SWOT Analysis

  • শক্তিশালী দিক সমূহঃ বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর রয়েছে প্রচুর আর্থিক সামর্থ্য যা তাদেরকে সরবরাহ ও বিতরণ ব্যবস্থায়, আউটলেটে এবং বিপণনের ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করতে সাহায্য করে।
    ব্যাপকহারে ক্রয়ের মাধ্যমে তারা ক্রেতাদের জন্য নিশ্চিত করে হ্রাসকৃত মূল্য এবং অধিক মূল্যছাড়।
    যেহেতু মধ্যবিত্ত শ্রেণী ক্রমশঃ বেড়ে চলেছে, সুপার মার্কেট খাতটিও একই সাথে বেড়ে চলেছে।
    চালু হওয়ার দুই দশক পরে এই খাতটি আজকে একটি সমৃদ্ধ সরবরাহ ও বিতরণ ব্যবস্থার পাশাপাশি কার্যকরী ব্যবস্থাপনা তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে।
  • দুর্বলতাঃ পচনশীল দ্রব্যের প্রচুর চাহিদা থাকার কারণে সুপার মার্কেটগুলোকে অধিকহারে মধ্যস্বত্বভোগী ও ঢাকাভিত্তিক পাইকারী ব্যবসায়ীদের উপরে নির্ভর করতে হয়।
    যদিও কিছু বড় সুপারমার্কেটগুলোর ১০-২০টি আউটলেট রয়েছে, কিন্তু বেশিরভাগ ছোট মার্কেটগুলোরই আউটলেট সংখ্যা খুবই সীমিত আর তাই তারা বড় পরিসরে ক্রয়ের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
    যদিও বড় বড় সুপারমার্কেট যেমন আগোরা এবং নন্দন কিছু কিছু ক্ষেত্রে কন্ট্রাক্ট ফার্মিং করে থাকে, এখনও পর্যন্ত এই পদ্ধতিটি খুব একটা জনপ্রিয় হয়ে ওঠেনি।
  • সুযোগঃ নগরকেন্দ্রিক ভোক্তারা খাবারে বিশেষ করে পচনশীল দ্রব্যে যেমন মাছ, ফল-ফলাদি আর শাক-সবজিতে রাসায়নিক পদার্থের উপস্থিতির ব্যাপারে খুবই সচেতন, যা কিনা সুপারমার্কেটগুলোর মার্কেট শেয়ার বৃদ্ধি করতে ব্যাপক ভূমিকা রাখে।
    মাথাপিছু আয়ের ক্রমাগত বৃদ্ধি মানুষকে দ্রব্যমূল্যের চাইতে পণ্যের গুণগত মানের প্রতি অধিক মনযোগ দিতে উৎবুদ্ধ করছে।
    বড় বড় সুপারমার্কেটগুলো ধীরে ধীরে কন্ট্রাক্ট ফার্মিং এর দিকে ঝুঁকছে যা পরবর্তীতে এই শিল্পকে আরও বড় পরিসরে নিয়ে যেতে পারে
  • ঝুঁকিঃ রাজনৈতিক অচলাবস্থার কারণে সরবরাহ ও বিতরণ ব্যবস্থায় ব্যাঘাত ঘটায় যা এই শিল্পের অগ্রযাত্রাকে ব্যহত করছে এবং মূল্য বৃদ্ধিতে প্রভাবক হিসেবে কাজ করছে।
    রিয়েল এস্টেট খাতে মূল্যস্ফীতির কারণে আউটলেটের জন্য নির্ধারিত জায়গার ভাড়া বৃদ্ধি পাচ্ছে যা কিনা সুপারমের্কেটগুলোর প্রসারে বাধার সৃষ্টি করছে।
    এই শিল্প খাতের প্রসারে অন্যতম বাধা হল এর আকার। এই শিল্পটি শুধুমাত্র নগরকেন্দ্রিক হওয়াতে এর বাজার আকার হল সম্পূর্ণ বাজারের happy wheels demo মাত্র ২%। সুতরাং, পর্যাপ্ত মূলধন ও বিতরণ ব্যবস্থা না থাকলে প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে পণ্য সরবরাহ করতে পারবেনা যার কারণে, এই শিল্পটির বিকাশ বাধাগ্রস্ত হতে পারে।
  • এই ব্লগ সিরিজের গত পর্বে আমরা বাংলাদেশের সুপারমার্কেট শিল্পের প্রভাবকগুলো নিয়ে আলোচনা করেছি। আজকের চূড়ান্ত পর্বে আমরা এই শিল্পের সোর্সিং পদ্ধতিসমূহ, তাদের প্রতিবন্ধকতা এবং সেগুলো কাটিয়ে কীভাবে এই শিল্পটিকে আরও এগিয়ে নেয়া যেতে পারে তা নিয়ে আলোচনা করব।

     

    কাঁচামাল সংগ্রহ

    ক. সুপারমার্কেট ভ্যালু চেইন – পরোক্ষ সোর্সিং

    Supply Chain

    উপরের চিত্র অনুযায়ী যখন সরাসরি পদ্ধতিতে সোর্সিং করা হয় না, তখন ভ্যালু চেইনের গুটিকয়েক মধ্যস্বত্বভোগী লভ্যাংশের একটি বড় অংশ নিয়ে নেয় যা কিনা কৃষকের এবং একই সাথে সুপারমার্কেটগুলোর লভ্যাংশের পরিমাণ বহুলাংশে কমিয়ে দেয়। এই ধরনের পদ্ধতিতে উৎপাদক থেকে প্রান্তিক ভোক্তা পর্যন্ত সাধারণত ৩০ শতাংশের মত লভ্যাংশ থাকে যার প্রায় ১০-১২ শতাংশ সুপারমার্কেটগুলো এবং মাত্র ৩-৪ শতাংশ লভ্যাংশ কৃষকেরা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকে। আর বাদ বাকি ১৪-১৫ শতাংশের সবই যায় মাত্র ৪-৮ জন মধ্যস্বত্বভোগীদের পকেটে। এই ধরনের মুনাফার অসম বন্টনের কারণে ছোট ছোট বেশ কয়েকটি সুপারশপ বন্ধ হয়ে গেছে যেখানে বড় বড় সুপারমার্কেটগুলো ঠিকই টিকে থাকছে তাদের প্রচুর পরিমাণে অর্থ বিনিয়োগের ক্ষমতার জন্য। বর্ধিত ভাড়া, বিদ্যুৎ/পানি/গ্যাস বিল, মজুরী-বেতন এবং অন্যান্য রক্ষণাবেক্ষণ খরচের বৃদ্ধিও এই ছোট ছোট সুপারশপের বন্ধ হয়ে যাওয়ার পেছনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছে। তাছাড়া, মধ্যম আয়ের একটি বিশাল জনগোষ্ঠী এখনও এই ধরনের সুপারশপ থেকে প্রতিদিনের বাজারে আগ্রহী না হওয়ায় পণ্যদ্রব্যের দামও কমছে না, যা সুপারমের্কেট শিল্পের অগ্রগতিতে ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে।

    খ. সুপারমার্কেট ভ্যালু চেইন – প্রত্যক্ষ সোর্সিং

    Supply Chain 2

    প্রত্যক্ষ সোর্সিং পদ্ধতিতে ভ্যালু চেইনের সক্রিয় সদস্যদের সংখ্যা কমে গিয়ে দাঁড়ায় মাত্র ৩ জনে, যার ফলে সুপারমার্কেটগুলোর লভ্যাংশের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ১২-১৮ শতাংশে। এরফলে স্বাভাবিকভাবেই কৃষকেরাও উচ্চ মুনাফা অর্জন করে থাকে (প্রায় ৩-৬ শতাংশ)।

     

    আগোরা, বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় একটি সুপারশপ, নিয়মিত ভাবে কাঁচাবাজারের জরিপ করে থাকে যেন তারা কাঁচাবাজারের মত প্রতিযোগিতামূলক দামে পণ্যদ্রব্য বিক্রয় করতে পারে। আর তাই, আগোরা, পচনশীল দ্রব্যগুলো হয় বাজারমূল্যে অথবা তার থেকেও কমে বিক্রয় করে থাকে। কিন্তু, কিছু কিছু ক্ষেত্রে যেমন, মাছ ও মাংসের ক্ষেত্রে আগোরা এখনও কাঁচাবাজারের থেকে বাড়তি মূল্যে বিক্রয় করে থাকে।

     

    প্রত্যক্ষ সোর্সিং মডেলের ক্ষেত্রে সুপারমার্কেটগুলোকে গ্রামীণ ক্রয় প্রতিনিধি নিয়োগ করতে হয় যারা স্থানীয় বাজার থেকে পণ্যদ্রব্য সংগ্রহ করে থাকে।  এছাড়াও, তারা চাষীদের সাথে চুক্তিবদ্ধ উৎপাদন অথবা সমবায়ের মাধ্যমে উৎপাদনের মাধ্যমেও পণ্যদ্রব্য সংগ্রহ করে থাকে। এর ফলে তাদের বহুমূখী ঝুঁকি গ্রহণ করতে হয় যেমনঃ অগ্রিম চুক্তি, পরিবহন এবং উৎপাদন সংক্রান্ত ঝুঁকি। যদিও, ভ্যালু চেইনটি নিয়ে একটু সচেতন হলেই সুপারমার্কেট-কৃষক উভয় পক্ষের জন্যেই সেটি লাভজনক হত, কেননা, যেখানে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের সুপারমার্কেটগুলো প্রায় ৩০ শতাংশের মত মুনাফা অর্জন করে থাকে সেখানে বাংলাদেশী সুপারমার্কেটগুলো অর্জন করে মাত্র ১২ শতাংশের মত, শুধুমাত্র এই অসম বিতরণ ব্যবস্থার কারণে।

     

    এবারে দেখে নেয়া যাক প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সোর্সিং পদ্ধতির কোনটিতে কত খরচ হয়ঃ

    Super

    * ঢাকাকেন্দ্রিক একটি বিখ্যাত সুপারমার্কেটের নভেম্বর১২ থেকে জুন১৩ পর্যন্ত সংগৃহীত তথ্যের উপরভিত্তি করে

    প্রতিবন্ধকতাসমূহঃ

     

    বিভিন্ন ধরণের ও মানের পন্যক্রয়ের জটিলতার কারণে এবং বিতরণ ব্যবস্থার অনিশ্চয়তার কারণে অনেক সুপারমার্কেটই পচনশীল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের জন্য কারওয়ান বাজার, শ্যাম বাজার, কৃষি মার্কেট ও বাবু বাজার সহ ঢাকাকেন্দ্রিক অন্যান্য স্থানীয় পাইকারী বাজারের উপরে অতিমাত্রায় নির্ভরশীল। অর্থাৎ, এক্ষেত্রে এইসব স্থানীয় পাইকারী বাজারগুলো মধ্যম পর্যায়ের দালাল হিসেবে কাজ করে। এইসমস্ত বাজারের দক্ষতা ও কার্যকারিতা বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন সঠিক ভাবে পণ্যদ্রব্যের রক্ষণাবেক্ষণ ও হস্তান্তর এবং উপযুক্ত পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ যেমনঃ পণ্যের ক্ষয়ক্ষতি কমানোর লক্ষ্যে প্লাস্টিকের তৈরি ক্রেট বক্সের ব্যবহার বৃদ্ধি এবং ঋণসুবিধাদির প্রচলন। যদি এই ধরণের বাজারগুলো কৃষকের সাথে একটি শক্তিশালী সম্পর্ক তৈরি করতে ও বজায় রাখতে পারে সেক্ষেত্রে তা উভয় পক্ষের জন্যই লাভজনক হবে এবং একই সাথে বাজারের অন্যান্য অকার্যকরী দিকও দূরীভূত হবে।

     

    কিছু বাস্তবসম্মত সমাধান

    mango-formalin-460

    এখন পর্যন্ত সুপারমার্কেট শিল্পটি সম্পূর্ণ দেশজ কাঁচাবাজারের মাত্র ২ শতাংশ দখল করে আছে। যেসব প্রভাবক এই শিল্পের উন্নতি সাধন করতে পারে সেগুলো হলঃ খাবারে ভেজালের ব্যবহারের বিষয়ে ব্যাপকহারে গণসচেতনতা তৈরি হওয়া, মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পাওয়া এবং সর্বোপরি, নগরায়নের সম্প্রসারণ। এর সাথে সাথে যদি ভ্যালু চেইনের মধ্যস্বত্বভোগীদের সংখ্যা কমানো সম্ভব হয় তাহলে সেটি আরও কার্যকর হবে। এর ফলে সুপারমার্কেটগুলো সাপ্তাহিক অর্ডার প্রদান করে প্রচুর পরিমাণে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে পণ্য ক্রয় করবে যা কিনা তাদেরকে খরচ কমাতে সাহায্য করবে এবং এর ফলে কৃষকেরাও ন্যায্য দাম পাবে। ফলে, চূড়ান্ত ভোক্তাগণও কম দামে পণ্য কিনতে সক্ষম হবে। আর এর সাথে সাথে, প্রতিটি সুপারশপের উন্নত পরিবেশ, পণ্যের গুণগত মান এবং অন্যান্য সুবিধার কারণে মধ্যবিত্ত ও মূল্যসংবেদনশীল ক্রেতাদের একটি বড় অংশ ধীরে ধীরে সুপারমার্কেট থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়ের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠবে বলে আশা করা যায়।

(Source: http://lightcastlebd.com/blog/bn/2015/04/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6-%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%9F-%E0%A6%B6%E0%A6%BF

http://lightcastlebd.com/blog/bn/2015/04/3678)

My name is Md. Rashadul Islam. I'm 29 years old and live in Dhaka.